ব্লগ

ব্যর্থ ডিটক্স

নভেম্বর ২০২৫ · 3 মিনিটে পড়া
শেয়ার

“আমি এক সপ্তাহ ফোন ছুঁব না,” ঘোষণা দিয়েছিলাম হ্যাপিকে।

Digital minimalism নিয়ে একটা বই পড়ে খুব inspire হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, আমি technology র দাস হয়ে গেছি। আমার মুক্তি দরকার।

ফোনটা drawer এ রেখে দিলাম।

প্রথম দিন ভালো লাগল। মনে হলো আমি free। আরাশের সাথে গল্প করলাম। হ্যাপির সাথে বেশি সময় দিলাম। বারান্দায় বসে পাখি দেখলাম।

দ্বিতীয় দিন। হাত আপনা আপনি ফোনের জায়গায় যাচ্ছে। কী খবর হচ্ছে? মৃদুল message দিয়েছে কি না? কোনো email এসেছে?

তৃতীয় দিন। Bank এর OTP দরকার। ATM card ঘরে ভুলে এসেছি। ফোন ছাড়া কিছুই করতে পারছি না।

“Emergency জন্য তো ফোন লাগবেই,” বললাম হ্যাপিকে। ফোন বের করলাম।

চতুর্থ দিন। “শুধু জরুরি কাজ,” বলে ফোন check করলাম। দেখি 47টা notification। সব “urgent” মনে হচ্ছে।

পঞ্চম দিন। “Digital minimalism মানে তো total ban নয়, mindful use,” নিজেকে বোঝালাম।

ষষ্ঠ দিন। আগের মতোই ফোন ব্যবহার করছি।

সপ্তম দিন। “এই detox successful হয়েছে,” নিজেকে বললাম, “এখন আমি conscious user।”

কিন্তু কিছুই পাল্টায়নি।

দুই সপ্তাহ পর আবার চেষ্টা করলাম। এবার Social media uninstall করব।

Facebook delete করলাম। Instagram delete করলাম।

কিন্তু ব্রাউজারে গিয়ে login করে same সময় নষ্ট করলাম।

তিন দিন পর আবার install করলাম। “FOMO হচ্ছিল,” বললাম নিজেকে।

আমি বুঝলাম, আমার সমস্যা technology তে নয়। সমস্যা আমার ভিতরে।

আমি ফোনে escape করি। Boredom থেকে, loneliness থেকে, anxiety থেকে।

Detox করে ফোন দূরে রাখলেই তো এই feelings গুলো মিলিয়ে যাবে না।

মনে পড়ল, Digital minimalism এর বইতে লেখা ছিল: “Technology itself is not the problem. Our relationship with it is.”

কিন্তু আমি technology কে blame করা easier মনে করেছিলাম। Nিজেকে change করার চেয়ে।

Detox failure এর পর understand করলাম, আসল কাজ হলো আমার mind কে train করা। Technology কে avoid করা নয়, control করা।

এখন আর “I quit social media” type dramatic statement দিই না।

বরং ছোট ছোট rules বানিয়েছি:

এগুলো perfect follow করতে পারি না। কিন্তু কিছুটা conscious হয়েছি।

Digital detox একটা myth। যেমন “I’ll stop eating sugar forever” বলা।

কাজ হলো balance খোঁজা। Extreme নয়, sustainable।

আমি এখনো ফোন ব্যবহার করি। কিন্তু আগের চেয়ে কম guilty feel করি।

কারণ জানি, এটা একটা tool। আমার master নয়, servant।

আর servant কে control করতে হয়। Fire করতে নয়।

hayder

লেখক। পর্যবেক্ষক। যে বিশ্বাস করে নীরব জিনিসগুলোরও একটা কণ্ঠস্বর থাকা উচিত।

আরও পড়ুন

একটু ভাবনা রেখে যান

Your email address will not be published. Required fields are marked *