আজ সকালে হাসপাতালের emergency ward-এ গিয়েছিলাম একটা report নিতে। দেখলাম একটা ছোট্ট মেয়ে তার মায়ের কোলে ঘুমিয়ে আছে। চারদিকে হাজার টেনশন, কিন্তু সে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে। মায়ের কোল তার কাছে সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা।
আর আমি? আমি হাসপাতালে এলেই ভাবি – কত টাকা লাগবে? ডাক্তার ঠিক treatment দেবে তো? medicine ভেজাল তো নয়? সব কিছুতে সন্দেহ।
আমার ভিতরে একটা অ্যাপ খুলে গেল যার নাম “নিরাপত্তার মৃত্যুর তারিখ অজানা”।
বাসে উঠে দেখি একটা বাচ্চা window-এর পাশে বসে বাইরে তাকিয়ে আছে। তার চোখে কোনো ভয় নেই। কোনো চিন্তা নেই কোন এলাকা দিয়ে যাচ্ছে, রাস্তা নিরাপদ কিনা।
আমি? আমি বাসে উঠলেই দেখি driver কেমন চালাচ্ছে। helper কেমন, conductor-এর সাথে কেমন ব্যবহার করতে হবে। কোথায় বসব, কোথায় mobile বের করা safe।
bank-এ গিয়ে দেখি একটা ছেলে তার বাবার সাথে এসেছে। সে খেলছে, হাসছে। তার জানা নেই এখানে কত ধরনের fraud হয়। কত রকম scam।
আমি bank-এ গেলে প্রতিটি paper দুইবার check করি। কোনো signature ভুল হলো কিনা। কোনো amount ভুল লেখা হলো কিনা। বিশ্বাস নেই কারো উপর।
সন্ধ্যায় পার্কে হাঁটতে গিয়ে দেখি কিছু বাচ্চা খেলছে। অচেনা বাচ্চাদের সাথেও মিশে যাচ্ছে। কোনো hesitation নেই।
আমি? আমি অচেনা মানুষের সাথে কথা বলতে ভয় পাই। কে কী মতলব নিয়ে কথা বলছে, কে কি চায়। trust করতে পারি না।
market-এ দেখি একটা মা তার ছোট ছেলেকে দোকানে রেখে পাশের দোকানে গেছে। ছেলেটা peaceful-ভাবে বসে আছে। কোনো tension নেই।
আমি market-এ গেলে প্রতিটা item-এর দাম আগে থেকে জেনে যাই। কোথায় কেমন quality পাওয়া যায়। কোন দোকানদার honest। সব কিছু calculate করে।
রাতে একটা tea stall-এ বসে চা খাচ্ছিলাম। পাশে একটা পরিবার বসেছে। তাদের ছোট মেয়েটা stranger দোকানদারের কাছ থেকে biscuit নিয়ে খাচ্ছে। কোনো ভয় নেই।
আমি tea stall-এ গেলে দেখি glass টা ভালো করে পরিষ্কার কিনা। চা-এর পানি কোথা থেকে আনা। sugar ভালো কিনা।
নামাজ পড়ে ভাবছিলাম। শৈশবে আমার কাছে পুরো পৃথিবী একটা safe place ছিল। বাবা-মা আছে, তাহলে আর কিসের ভয়?
এখন? পুরো পৃথিবী একটা dangerous place। সবার মতলব আছে। সবাই কিছু না কিছু চায়। কেউ বিশ্বাস করার মতো নেই।
auto rickshaw-এ উঠে দেখি একটা পরিবার। তাদের ছেলে driver uncle-কে “কেমন আছেন?” জিজ্ঞেস করছে। driver হেসে জবাব দিচ্ছে।
আমি auto rickshaw-এ উঠলে meter on করেছে কিনা, ঠিক route দিয়ে যাচ্ছে কিনা, extra money চাইবে কিনা – এসব নিয়ে চিন্তা।
government office-এ গিয়ে দেখি একটা বুড়ো মানুষ তার নাতিকে নিয়ে এসেছে। নাতি office-এর মানুষদের “আসসালামু আলাইকুম” বলছে। সবাই ভালোবাসা দিয়ে সালামের জবাব দিচ্ছে।
আমি government office-এ গেলে ভাবি কাকে কত টাকা দিতে হবে। কোন clerk-এর সাথে কেমন ব্যবহার করতে হবে। কোথায় কি corruption।
মনে হলো, শৈশবের নিরাপত্তা ছিল ignorance-এ। আমরা জানতাম না পৃথিবীতে কত খারাপ আছে।
এখন আমরা জানি সব কিছু। আর সেই জানাটাই আমাদের শত্রু।
কিন্তু হয়তো এই জানাটাই আমাদের একমাত্র নিরাপত্তা। আগের নিরাপত্তা ছিল অন্ধত্বে। এখনকার নিরাপত্তা জাগ্রততায়।
একটু ভাবনা রেখে যান