ব্লগ

থেমে থাকার ইচ্ছা

নভেম্বর ২০২৫ · 3 মিনিটে পড়া
শেয়ার

আজ সকালে বাসে উঠে দেখলাম একটা মানুষ খুব সিরিয়াস মুখ করে ফোনে business call করছে। তার বয়স হবে আমার মতোই। কিন্তু হঠাৎ একটা মজার video দেখে সে হেসে ফেলল। তারপর তাড়াতাড়ি চারপাশে তাকিয়ে আবার serious মুখ করে নিল।

আমার মনে হলো – এই মানুষটা কি আমার মতোই ভান করে mature হয়ে আছে?

অফিসে পৌঁছে দেখি আমার এক তরুণ সহকর্মী একটা cartoon character-এর পেন দিয়ে লিখছে। বস এসে বলল, “এইসব childish জিনিস অফিসে আনবেন না।” ছেলেটা লজ্জা পেয়ে গেল।

আমার ভিতরে একটা অ্যাপ খুলে গেল যার নাম “বাধ্যতামূলক পরিপক্বতা ভার্সন সমাজের চাপ”।

দুপুরে canteen-এ বসে ভাবছিলাম। আমি কি সত্যিই mature? নাকি শুধু society যেভাবে চায় সেভাবে behave করছি?

আমার মনে পড়ল, গত সপ্তাহে একটা toy shop-এর সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আমার ইচ্ছা হয়েছিল ভেতরে ঢুকে robot দেখতে। কিন্তু ভাবলাম, লোকে কী ভাববে? একটা মধ্যবয়সী মানুষ toy shop-এ কী করছে?

রাস্তায় দেখি একটা পার্কে কিছু বয়স্ক মানুষ swing-এ বসে আছে। তারা লুকিয়ে লুকিয়ে এক ধরনের আনন্দ নিচ্ছে। কিন্তু যখন কেউ দেখে, তখন serious হয়ে যাচ্ছে।

আমি বুঝলাম – আমরা সবাই acting করছি।

এক stranger-এর সাথে bus stop-এ কথা হলো। তিনি বললেন, “জানেন, আমার ৫০ বছর বয়স। কিন্তু মাঝে মাঝে মনে হয় আমি ১৫ বছরের একটা ছেলে, যাকে force করা হচ্ছে বড় হতে।”

নামাজ পড়ে ভাবছিলাম। আল্লাহ আমাদের বলেছেন জ্ঞানে বড় হতে, কিন্তু কি কখনো বলেছেন খেলাধুলা ছেড়ে দিতে? আনন্দ ছেড়ে দিতে?

আমার নিজের কথা ভাবলাম। আমি কবে থেকে হাসা বন্ধ করে দিয়েছি? কবে থেকে মনে করতে শুরু করেছি যে joy মানে immaturity?

রাতে একা বসে ভাবছিলাম। বড় হওয়ার মানে কি responsibility নেওয়া, নাকি নিজের inner child-কে মেরে ফেলা?

আজকাল দেখি office-এ সবাই robot-এর মতো কাজ করে। কেউ spontaneous নয়। কেউ curious নয়। সবাই “professional” হতে গিয়ে human হওয়া ভুলে গেছে।

আমি ঠিক করলাম। আগামীকাল সেই toy shop-এ যাব। কেউ কী ভাববে সেটা নিয়ে চিন্তা করব না।

বড় হওয়ার মানে mature thinking, childish joy-কে বিদায় দেওয়া নয়।

গতকাল একটা বৃদ্ধ মানুষকে দেখলাম candy shop-এ। তিনি একটা lollipop কিনলেন। কেউ কিছু বলল না। তার মুখে যে peace ছিল, সেটা দেখে মনে হলো – উনি জীবনের আসল secret জানেন।

হয়তো আমাদের সমাজই ভুল শিখিয়েছে যে বড় হওয়া মানে আনন্দ ছেড়ে দেওয়া।

hayder

লেখক। পর্যবেক্ষক। যে বিশ্বাস করে নীরব জিনিসগুলোরও একটা কণ্ঠস্বর থাকা উচিত।

আরও পড়ুন

একটু ভাবনা রেখে যান

Your email address will not be published. Required fields are marked *